Logo

হজের নিবন্ধন স্থগিত


করোনা পরিস্থিতিতে হজের নিবন্ধন স্থগিত রাখছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। আপাতত সময় আর বাড়ানো হচ্ছে না। হজের ব্যাপারে সৌদি সরকারের পরবর্তী ঘোষণার পরই এ কাজে আবার হাত দেয়া হবে। এ দিকে গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলতি বছরের এক লাখ ৩৭ হাজার ১৯৮ জনের কোটার মধ্যে ৬৬ হাজারের মতো হজযাত্রীর নিবন্ধন হয়েছে। গত ১ মার্চ থেকে শুরু হয়ে গত দুই মাসের মধ্যে চার দফায় বৃদ্ধি করা সময়ের গতকাল ছিল শেষ দিন। ধর্ম সচিব মো: নুরুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, এই পরিস্থিতিতে নিবন্ধন এ পর্যন্ত থাকছে; সময় বাড়ানো হচ্ছে না। হজ নিয়ে তো এমনিতেই অনিশ্চয়তা আছে। এখন সারা পৃথিবীতে কী অবস্থা সবাই তো দেখতে পারছেন। সৌদি সরকার হজের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত কী নেয় সেটা দেখে তারপর যা করার করা হবে। তিনি বলেন, হজ চালু করা হলেও কত সংখ্যক লোক এ বছর যেতে পারবেন সেটাও একটা বিষয়। তবে এতটুকু নিশ্চিয়তা রয়েছে, যারা টাকা জমা দিয়েছেন তারা প্রতারিত হবেন না। হজ এজেন্সিগুলোর সংগঠনÑ হাব নেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা আরো আগেই নিবন্ধন স্থগিত চেয়েছিলেন। পাসপোর্ট অফিসে যেতে না পারা এবং ব্যাংকের সব শাখা খোলা না থাকার কারণে লকডাউনের মধ্যে তাদের পক্ষেও নিবন্ধন করা সম্ভব হচ্ছে না। অনিশ্চয়তার কারণে হজযাত্রীদের অনাগ্রহের বিষয়ও রয়েছে এর সাথে। এ বছর বাংলাদেশের জন্য হজের কোটা এক লাখ ৩৭ হাজার ১৯৮ জন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনার ১৭ হাজার ১৯৮ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনার এক লাখ ২০ হাজার। এই হিসাবে গতকাল পর্যন্ত মোট হজযাত্রীর ৪৭ শতাংশের নিবন্ধন হয়েছে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৩০ জুলাই (৯ জিলহজ) এ বছরের হজ পালিত হওয়ার কথা। তবে বিশ্বব্যাপী করোনা পরিস্থিতির কারণে এই বছরের হজ স্থগিত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

করোনা সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি না নিলে যেসব নম্বরে কল করবেন


বর্তমান বিশ্বের বড় আতঙ্ক করোনাভাইরাস আক্রান্ত সন্দেহে কোনো মুমূর্ষু রোগীকে সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতাল ভর্তি না নিলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ফোন দেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। একই সঙ্গে সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতালে কোনো মুমূর্ষু করোনায় (কোভিড-19) রোগে আক্রান্ত বলে যদি সন্দেহ হয় এবং কোনো কারণে যদি তাকে উক্ত হাসপাতালে ভর্তি করানো সম্ভব না হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত রোগীকে অপেক্ষমাণ রেখে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কোভিড-19 সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কক্ষের নিম্নোক্ত চারটি নম্বরের যে কোনোটিতে ফোন করে উক্ত রোগীর চিকিৎসা বা ভর্তি সংক্রান্ত বিষয়ে ফলপ্রসূ পরামর্শ গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেয়া হলো। নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে উক্ত রোগীর ভর্তি বা চিকিৎসা বিষয়ে করণীয় সমন্বয় করা হবে'। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন বলেও জানা যায়। যে নম্বরগুলোতে কল করবেন- ০১৩১৩৭৯১১৩০, ০১৩১৩৭৯১১৩৮, ০১৩১৩৭৯১১৩৯, ০১৩১৩৭৯১১৪০।

আগামী ৩ মাসে ১২ লাখ সংক্রমণের শঙ্কা ভারতে


আগামী তিন মাসে ১২ লাখ ছাড়াতে পারে ভারতে সংক্রমণ, দাবি এক সমীক্ষার। খবর ভারতের এনডিটিভির। গতকাল দি হিন্দুর রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের কেবিনেট সেক্রেটারি রাজিব গাউবা বলেছেন, বিমান বন্দর থেকে যারা বেরিয়ে গেছে তাদের প্রকৃত সংখ্যা এবং বিদেশ প্রত্যাগত যাদের মনিটর করা হচ্ছে, এই দুইয়ের মধ্যে ‘ব্যবধান’ মিলেছে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গসহ সকল রাজ্যের মুখ্য সচিবদের কাছে এক চিঠি পাঠিয়েছেন তিনি। কেবিনেট সচিব এতে বলেছেন, সকল রাজ্য যেন গত দুমাসে বিদেশ ফেরতদের অবিলম্বে পর্যবেক্ষণের অধীনে আনে। কারণ তাদের অনেকেই করোনা আক্রান্ত দেশ থেকে এসেছেন। ভারতের ৭শর বেশি মানুষ আক্রান্ত এবং ১৭ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এদিকে পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী ১৮ টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে প্রেরিত এক চিঠিতে বলেছেন, দক্ষ ও আধা দক্ষ বহু বাঙ্গালি শ্রমিক ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে কাজের জন্য যায়, লক ডাউনে তারা আটকা পড়েছে। তাদের পরিবার পরিজন অবিশ্রান্ত ফোন করছে। এনডিটিভি জানায়, সম্প্রতি প্রকাশিত সমীক্ষায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় আর সিডিডিইপি বলেছে, ভারতে ২১ দিনের লকডাউন অকার্যকর হতে পারে। কারণ আগামী দু’মাসে ব্যাপক হারে বাড়বে সংক্রমণ মাত্রা । এপ্রিল, মে আর জুন মিলিয়ে প্রায় ১২ লাখ মানুষ সংক্রমিত হতে পারে। ওই দুই সংস্থার আরও দাবি, “জনঘনত্বই হবে এই সংক্রমণের মাত্রার ব্যাপক বৃদ্ধির কারণ। অপর্যাপ্ত শারীরিক দূরত্বের জেরে ছড়িয়ে পড়বে সংক্রমণ।”এর ফলে মোট সংখ্যা (উপসর্গ নেই, চিকিৎসাধীন আর উপসর্গ মিলিয়ে) ২৫ কোটি ছাড়িয়ে যেতে পারে। সংবাদ সংস্থাগুলোর খবর বলা হয়, জনঘনত্বের বিচারে সেভাবে হয়নি স্ক্রিনিং, সঙ্গে জন-দূরত্ব কম, এই দুয়ের কারণে করোনা বিপর্যয় আরও গ্রাস করতে পারে ভারতকে। ইতিমধ্যেই মার্কিন এক বিশ্ববিদ্যালয় প্রশ্ন তুলেছে, “হাসপাতালের বাইরে সংক্রামিত কত?” তথ্য নেই ভারতের কাছে। জনঘনত্বের বিচারে এখনও যে পরিমাণ মানুষকে স্ক্রিনিং করা হয়েছে বলে দাবি, তা মোট জনসংখ্যার বিচারে নগণ্য। উল্লেখ্য, লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের প্রফেসর নিল ফার্গুসনের নেতৃত্বাধীন সমীক্ষা যদি উপযুক্ত ব্যবস্থা না নেওয়া হয় তাহলে ব্রিটেনে আড়াই লাখ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দশ লাখের বেশি লোকের মারা যাওয়ার বিষয়ে পূর্বাভাস দেওয়া হয়। এরপরে আরো এপিডেমিওলজিস্টরা ওই একই মডেলের ভিত্তিতে এশিয়ার কোনো কোনো দেশকে সমীক্ষার আওতায় আনেন। কোনো কোনো দেশ সম্পর্কে বলা হয়, সেখানে কোনো পদক্ষেপ না নিলে ৫ লাখের বেশি লোক মারা যেতে পারে। সাড়ে সাত কোটির বেশি মানুষের মধ্য লক্ষণ দেখা যেতে পারে। অবশ্য বিশ্বের সব দেশই যথেষ্ট পদক্ষেপ নিয়েছে ইতিমধ্যে। তবে উল্লেখ্য ভারত সম্পর্কে জন হপকিন্সের ওই সমীক্ষা রিপোর্টে আরও বলা হয়, "স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যেও মৃত্যুর হার বাড়তে পারে। মহামারীর সঙ্গে লড়তে স্বাস্থ্যকর্মীদের পর্যাপ্ত সংক্রমণ-প্রতিরোধী উর্দি (মাস্ক-গাউন) সরকারের বরাদ্দ করা উচিত। নয়তো তাঁদের মাধ্যমে এই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে অন্য জনগোষ্ঠীর মধ্যেও। ঘনঘন অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন তাঁরাও।" এনডিটিভি জানায়, ওই সমীক্ষায় দাবি, "একটা মহামারী বিলুপ্ত হলেও তার কিছু প্রকোপ রেখে যায়। সেই প্রকোপের বলি হতে পারেন সাধারণ নাগরিক কিংবা স্বাস্থ্যকর্মীরা।" জানা গিয়েছে, আগামী ৩ মাসের পূর্বাভাস তুলে ধরা হলেও মার্চেই হু-হু করে বেড়েছে সংক্রমণ মাত্রা। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত গোটা দেশে সংক্রমিত ৬৪৯। শুক্রবার পর্যন্ত মৃত ১৬। ফলে যত কম স্ক্রিনিং, তত বেশি সংক্রমণের হার, সতর্ক করেছে সেই সমীক্ষা। সেই সমীক্ষায় পরামর্শ, "যত্রতত্র টেস্টিং আর শারীরিক দূরত্ব বজায়, এই দু'য়ের মাধ্যমে কিছুটা কমানো যেতে পারে সংক্রমণের হার। পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধি করে আতঙ্কের পরিবেশ থেকে মানুষকে বের করে আনা, এখন বেশি গুরুত্বপূর্ণ।" এক পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার বৃদ্ধিতে কিছুটা রেহাই মিলবে। সেই দাবির স্বপক্ষে ওই সমীক্ষা যুক্তি দিয়েছে, কিছুটা রেহাই মিলবে বটে। কিন্তু সুরাহা মিলবে না। চীনে তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা বৃদ্ধির ফলে সংক্রমণ হার কমেছিল। কিন্তু ভারতের ভৌগলিক অবস্থান মেনে সেই তত্ব কতটা কার্যকরী, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে সেই সমীক্ষা। আপনার মতামত দিন

চীন থেকে এসেছে করোনাভাইরাসের কিট ও চিকিৎসা সরঞ্জাম


চীন থেকে বিশেষ কার্গো বিমানে করে এসেছে করোনাভাইরাসের চিকিৎসা সরঞ্জাম। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ৪টায় বিশেষ বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ওয়াইটিও কার্গো এয়ারলাইন্স ৯০৮৭ ফ্লাইটটিতে নিয়ে আসা হয়েছে করোনাভাইরাস শনাক্তের ১০ হাজার কিট। এর বাইরে চিকিৎসকদের জন্য ১০ হাজার পারসোনাল প্রোটেকটিভ ইনস্ট্রুমেন্ট (পিপিআই) এবং ১ হাজার ইনফ্রারেড থার্মোমিটারও রয়েছে কার্গো বিমানটিতে। চীনের ঢাকা মিশনের মিনিস্টার কাউন্সেলর ও উপপ্রধান হুয়ালঙ ইয়ান বলেন, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় শনাক্তকরণ কিটসহ স্বাস্থ্য সরঞ্জাম নিয়ে বিশেষ বিমানটি বৃস্পতিবার বিকেল ৪টার পর বিমানবন্দরে পৌঁছেছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন ও ঢাকায় চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং এসময় বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ বিমানে আসা করোনা শনাক্তের কিটগুলো বিমান থেকে খালাসের পর ঢাকায় চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের কাছে সেগুলো হস্তান্তর করবেন। এর আগেও করোনাভাইরাস শনাক্ত করতে বাংলাদেশকে ৫০০ কিট দিয়েছিল চীন। এবারে তারা আরও কিট ছাড়াও অন্যান্য স্বাস্থ্য সরঞ্জাম পাঠিয়েছে। এর বাইরেও করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় চীন থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও নার্স নিয়ে আসা যায় কি না, তা নিয়ে ভাবছে বাংলাদেশ সরকার।

কাল জুমার নামাজে সীমিত মুসুল্লি আসার আহবান ইফা'র


করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে দেশের বিশিষ্ট আলেম ও ওলামাদের পরামর্শ অনুযায়ী আগামীকালের জুমার নামাজে সীমিত মুসুল্লি আসার আহবান জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা)। এছাড়া ভাইরাস সংক্রমণ সুরক্ষা শতভাগ নিশ্চিত না হয়ে কোন মুসুল্লিকে মসজিদে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে ফাউন্ডেশন। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে ক্ষুদে বার্তায় এ আহবান জানানো হয়। এছাড়া যাদের হাঁচি, কাশি কিংবা জ্বর রয়েছে তাদেরকে বাসায় বসে জুম্মার পরিবর্তে যোহরের নামাজ পড়ার আহবান করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। পাশাপাশি বয়স্ক মুসুল্লিদের করোনা সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে আপাতত কিছুদিন সব নামাজই বাসায় পড়তে অনুরোধ করা হয়েছে। করোনা সংক্রমণ রোধে আরব বিশ্বসহ অধিকাংশ দেশেই বর্তমানে মসজিদে নামাজ আদায় বন্ধ রয়েছে। ঢাকার মিরপুরের টোলারবাগ যে দুইজন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন, সন্দেহ করা হচ্ছে তারা মসজিদ থেকেই সংক্রমিত হয়েছিলেন। তাই দেশবাসীর সকলের স্বার্থে আগামীকালের জুম্মার নামাজের জামাত মসজিদে সীমিত আকারে করার আহবান জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা)।

করোনাভাইরাস: বিশ্বজুড়ে মৃত্যু ২২ হাজার ছাড়াল


বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা চার লাখ ৮৭ হাজার ৬৪৮ পেরোনোর পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা, যা এখন ২২ হাজার ১৮৪ বলে এক পরিসংখ্যানে জানিয়েছে জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়। চীনের বাইরে ২শ’ টি দেশে করোনাভাইরাসের বিস্তার ঘটেছে। চীন থেকে ছড়ালেও এখন নভেল করোনাভাইরাস মহামারী কেন্দ্র হয়ে উঠেছে ইউরোপ। মহাদেশটির ইতালি মৃত্যু সংখ্যায় সবাইকে ছাড়িয়ে প্রতিদিন নতুন নতুন রেকর্ড তৈরি করে ভাইরাসটি কতোটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে তার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে। বিশ্বে ইতালিতেই এখন করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী,ইতালিতে মৃতের সংখ্যা ৭ হাজার ৫০৩। আর আক্রান্তের সংখ্যা ৭৪ হাজার ৩৮৬ জন। ওদিকে,স্পেন ইতোমধ্যে মৃতের সংখ্যায় চীনকে ছাড়িয়ে ইতালির পরেই স্থান নিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে আরো ৬৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশটিতে মৃতের সংখ্যা ৪,০৮৯ জনে পৌঁছেছে বলে বৃহস্পতিবার দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। আসছে দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র করোনাভাইরাস মহামারীর নতুন উপকেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিদিনই আসছে নতুন আক্রান্তের খবর। গতদিনে করোনাভাইরাসে নতুন যতজন আক্রান্ত হয়েছে তার এক তৃতীয়াংশই যুক্তরাষ্ট্রের।সেখানে নতুন ১৫ হাজার মানুষ করোনাভাইরাস আক্রান্ত হওয়াসহ নতুন ২৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে।হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাবে দেশটিতে মোট মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।এবং আক্রান্তের সংখ্যা ৬৯ হাজার ২৪৬ তে দাঁড়িয়েছে। দেশটিতে নিউ ইয়র্কেই বেশিসংখ্যক মানুষ কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়েছে।সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজার এবং মৃত্যু হয়েছে ২৮০ জনের।

ঢাকায় করোনায় মৃত ব্যক্তির সঙ্গে একই হাসপাতালে থাকা একজনের খুলনায় মৃত্যু


ঢাকায় করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান এক ব্যক্তি। তার সঙ্গে একই হাসপাতালে পাশাপাশি বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন খুলনার মোস্তাহিদুর রহমান (৪৫)। পরে তাকে খুলনায় আনা হয়। ভর্তি করা হয় খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন। তিনি খুলনা মহানগরীর হেলাতলা এলাকার মৃত সাঈদুর রহমানের ছেলে। খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. এ টি এম মঞ্জুর মোর্শেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মোস্তাহিদুর রহমান থাইরয়েড সার্জারির জন্য ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন। সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন ঢাকায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া একজন। এরপর ওই হাসপাতাল থেকে সব রোগীকে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং নিজ নিজ বাসায় কোয়ারেন্টিনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু মোস্তাহিদুর রহমান খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এসে বুধবার দিনগত রাত আড়াইটার দিকে ভর্তির সময় এ সব তথ্য গোপন করেন। ডা. এ টি এম মঞ্জুর মোর্শেদ আরও জানান, থাইরয়েড সার্জারিতে ইনফেকশন হওয়ার কারণে এখানে আসেন তিনি। তাই তাকে স্বাভাবিকভাবেই হাসপাতালের সার্জারি ইউনিট-২ এ ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। বৃহস্পতিবার সকালে তার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। তখন এসব তথ্য প্রকাশ পায়। এরপর ওই রোগীকে ফাঁকা ওয়ার্ডের এক কোনে রেখে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু দুপুর দেড়টার দিকে তিনি মারা যান। তার লাশ হাসপাতালেই রয়েছে। ডা. মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, ‘হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে মৃত ব্যক্তির চিকিৎসা সেবায় থাকা ১৬ জনকে এ ঘটনার পরই কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। হাসপাতালের পেছনে থাকা ডরমেটরিতে তাদের পৃথক পৃথক রুমে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এদের মধ্যে ২ জন ডাক্তার, ১০ জন নার্স ও ২ কর্মচারী রয়েছেন।’ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিট ইনচার্জ ডা. শৈলেন্দ্রনাথ বিশ্বাস জানান, মৃত ব্যক্তি তথ্য গোপন না করলে তাকে করোনা ইউনিটেই নেওয়া হতো। তথ্য গোপন করার কারণে তাকে সার্জারিতে নেওয়া হয়। তার মৃত্যুর পর এখানে থাকা ৩০ ভাগ রোগীও হাসপাতাল ত্যাগ করতে শুরু করেছেন।

অপপ্রচার বন্ধে টিভি চ্যানেল মনিটরিংয়ের আদেশ বাতিল


করোনাভাইরাস নিয়ে অপপ্রচার ও গুজব বন্ধে ৩০টি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল মনিটরিংয়ের (তদারকি) আদেশটি সমালোচনার মুখে বাতিল করেছে সরকার। জারি করা পত্রে ‘ভুলভ্রান্তি’ থাকায় তা বাতিল করা হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাতে তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে জানানো হয়েছে।

দরকষাকষির ঐতিহ্য আ’লীগের, বিএনপির নয়: রিজভী


অগণতান্ত্রিক সরকারের সঙ্গে দরকষাকষি ও দেন-দরবারের ঐতিহ্য আওয়ামী লীগের, বিএনপির নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে…

বিএনপি নেতা হত্যা, প্যানেল মেয়র গ্রেফতার


বগুড়ায় বিএনপি নেতা ও পরিবহন ব্যবসায়ী অ্যাডভোকেট মাহবুব আলম শাহীন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি আমিনুল ইসলাম গ্রেফতার হয়েছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের ৩নং গেট থেকে…