Logo

সন্তানদের মুখে কি তুলে দেব?

সন্তানদের মুখে কি তুলে দেব?

আমার সব পুড়ে শেষ হয়ে গেল। ২০১৭ সালের আগুনে ৫টা দোকান পুড়ে কয়লা হয়ে গেছিলো। আর এবার ৭টা, দোকান পুড়ে কয়লা হলো। এখন আমি সন্তানদের মুখে কি তুলে দেব?’ এভাবেই আহাজারি করছিলেন, ডিএনসিসি মার্কেটের ক্রোকারিজ দোকান মালিক জহিরুল ইসলাম। শনিবার (৩০ মার্চ)  সকালে ডিএনসিসি মার্কেটে আগুন লেগে তার সব শেষ হয়ে গেছে। তিনি জানান, আমার জীবনের সমস্ত সম্বল দ্বিতীয়বার শেষ হয়ে গেল। গতবার আগুনে দোকান পোড়ার পর মানুষের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করি। এবার ৩ ভাইয়ের ৭টা দোকান পুড়ে গেল। কাঁচাবাজার, সুপার মার্কেট ও গুলশান শপিং সেন্টারে আমাদের মোট ৭টি দোকান। জহিরুল বলেন, ফায়ার সার্ভিস যখন আসলো তখন আগুন মাত্র সুপার মার্কেটে লেগেছে। এরপর কাজ করলেও পানি ছিলো না। এরপর গুলশান শপিং সেন্টারে আগুন লাগলো। ৩ তলা পুড়ে গেল। আমার তো সব শেষ হয়ে গেল।  ময়মনসিংহের সদরে আমার বাড়ি। তিন ভাই মিলে ২০০১ সাল থেকে শুলশানে ব্যবসা করি। ২ মেয়ে ১ ছেলে। বড় মেয়ে এইচএসসি, ছেলে অটিজম, ১২ বছর বয়স আর ছোট মেয়ে প্রথম শ্রেণিতে পড়ে। আমি আমার সন্তানদের মুখে কি তুলে দেব। হে আল্লাহ আমার সব শেষ করে দিলে। ক্ষতির পরিমাণ কেমন হয়েছে জানতে চাইলে বলেন, কোটি টাকার বেশি। ক্রোকারিজের দোকান। মালের পরিমাণের শেষ নেই।  ফায়ার সার্ভিস আর একটু আগে আসলে আমি নিঃস্ব হতাম না। আল্লাহ তুমি আমারে নিয়া যাও। আমারে ক্যান রাইখ্যা গেলা। আমি তো বেঁচে থেকেও মরে গেলাম।