Logo

শিক্ষকের মর্যাদা কখনো কমে না

শিক্ষকের মর্যাদা কখনো কমে না

 যদি কোনো শিক্ষক ভুল বা অন্যায় অন্যায্য কিছু করেন, তাহলে তার জন্য ব্যক্তি এককভাবে নিজে দায়ী। তার দায় পুরো শিক্ষকগোষ্ঠীকে কেন বয়ে বেড়াবে? ছেলেমেয়েরা যেন কিছুতেই শিক্ষকের প্রতি আস্থা হারিয়ে না ফেলে। সেদিকে যেমন শিক্ষকদের নিজ নিজ দায়িত্ব থাকবে তেমনি পরিবারের দায়িত্বও তারচেয়ে বেশিই বটে! পরিবারই সন্তানের প্রথম বিদ্যালয় বা শিক্ষাঙ্গন এ কথা ভুলে গেলে চলবে কেমন করে। বিগত দিনগুলোতে দেখেছি ভিকারুননিসার অরিত্রীর আত্মহত্যার জের ধরে অনেকেই ঢালাওভাবে শিক্ষকদের দায়ী করে চলেছেন। কিন্তু কেন? যে বা যারা ভুল করেছেন সে ভুলের দায় তাদের। কেন অন্যায়ভাবে অযথা সকল শিক্ষককে দোষারোপের পাল্লায় দুমড়ে মুচড়ে দিবেন? ভুলের উর্ধ্বে কেউই নয়।

‘যা কিছু রটে তার কিছু হলেও বটে’ প্রচলিত প্রবাদ অনুযায়ী বলতেই পারি ভিকারুননিসায় যা কিছু ঘটে গেছে তার কিছু হলেও তো সত্য বটে! অর্থাৎ শিক্ষক নিয়ম অনুযায়ী যা কিছু করার করেছেন। নিয়মের বাইরে কেউই নয়। তবু অরিত্রীর বয়সটা অন্তত বিবেচনায় আনা উচিত ছিলো। মানছি, মা-বাবার দিক থেকেও অবহেলা ছিলো, না হলে মোবাইল ফোন নিষেধ সত্ত্বেও ক্লাসে ফোন নিয়ে ঢুকবে কেন? আমার দিক থেকে যদি বলি, তবে বলতে হয়, আমিও একজন মা আর এই মায়ের জায়গায় দাঁড়িয়ে আমি আমার মেয়েকে মোবাইল ফোন নিয়ে যেতে নিষেধ করতাম। সবচেয়ে বড় ভুল অরিত্রীর মা-বাবার, এই বয়সী একটা মেয়েকে তারা কেন মোবাইল ফোন কিনে দিলেন? সে দায় তাদেরই। সন্তানের সাথে মায়ের যোগাযোগের অভাব থাকলে আর কি বাকি থাকে ভুলের? না, থাকে না। কারণ মা-ই প্রথম শিক্ষক, প্রথম বন্ধু। এই অভাব কেন থাকবে ছেলেমেয়েদের মাঝে? সেই জায়গায় আমরা অভিভাবকরা একশ ভাগ দায়ী।