Logo

ভোট ডাকাতির অভিযোগ পরাজয়ের বেদনা ভুলতে: কাদের

ভোট ডাকাতির অভিযোগ পরাজয়ের বেদনা ভুলতে: কাদের

বিএনপির ‘ভোট ডাকাতির’ অভিযোগ পরাজয়ের বেদনা ভুলতে- পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

শনিবার রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে বিআরটিএর ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকরদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।

গত ৩০ ডিসেম্বরের ভোটে আওয়ামী লীগ ইতিহাসের সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোট পেয়েছে। এককভাবে ২৫৭টি আসন আর জোটগতভাবে ২৮৮টি আসন পায় তারা। আর আওয়ামী লীগ সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী জেতেন আরো একটি আসনে।

বিএনপি ও তার জোট আসন পায় কেবল আটটি আর ভোট পায় সাড়ে ১৩ শতাংশ। দলটির দাবি, আগের রাতে ব্যালট বাক্স ভর্তি করে এবং ভোটের দিন তাদের সমর্থকদের কেন্দ্রে যেতে বাধা দিয়ে তাদের প্রার্থীদের হারানো হয়েছে। এই নির্বাচনকে ভোট ডাকাতি বলছে তারা।

তবে প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, কারচুপি করে এত বড় জয় পাওয়া সম্ভব নয়। আর যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের নানাপ্রান্ত থেকে সরকারকে অভিনন্দনও জানানো হয়েছে হয়েছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এবারই প্রথম সরকার গঠনের আগে গণতান্ত্রিক দেশগুলোর সমর্থন এবং শুভেচ্ছা আমাদের প্রধানমন্ত্রী পেয়ে গেছেন।...কাজেই এ ধরনের দাবি অবান্তর, কোনো যৌক্তিকতা নেই। নির্বাচন নিয়ে দেশে-বিদেশে কোনো প্রকার বিতর্ক নেই। আন্তর্জাতিক বিশ্ব থেকে কোনো প্রশ্ন আমরা এখন পর্যন্ত পাইনি।’

‘তারা নির্বাচনে হেরে গেছেন বলেই হেরে যাওয়ার বেদনা থেকেই এসব প্রশ্ন, এসব অভিযোগ তুলছেন এবং তাদের এই অভিযোগ ধোপে টেকে না।’

ভোট নিয়ে জনগণ ‘খুব খুশি’ দাবি করে আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘আপনারা জনগণের মতামত নিতে পারেন, জনগণ এই নির্বাচনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছে।...জনগণের কোনো প্রশ্ন নেই, প্রশ্ন আছে শুধু বিরোধী মনের কিছু রাজনৈতিক দলের।’

কাদের মনে করেন নেতাকর্মীদের চাঙ্গা রাখতে হলে গরম কথা বলতে হয় বলে বিএনপি তাই করছে।

বিএনপি এবং তার জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নতুন নির্বাচনের দাবিতে ‘হাস্যকর’ এবং ‘মামা বাড়ির আবদার’ বলেও মন্তব্য করেন ক্ষমতাসীন দলের নেতা।

বলেন, ‘যেখানে ভোট নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই, বিতর্ক নেই, যেখানে গণতান্ত্রিক বিশ্ব উল্টো সমর্থন দিয়েছে, সেখানে এ ধরনের সংলাপের কোনো যৌক্তিকতা কিংবা বাস্তবতা কিংবা প্রয়োজনীয়তা এ মুহূর্তে নেই।’

আগামী অক্টোবরে আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন হবে বলেও জানান কাদের। সবশেষ ২০১৬ সালের অক্টোবরের সম্মেলনেই তিনি দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছিলেন।