Logo

দক্ষিণ এশিয়ায় সুশাসনের অভাব ব্যবসার প্রধান অন্তরায় : ডব্লিউইএফ

দক্ষিণ এশিয়ায় সুশাসনের অভাব ব্যবসার প্রধান অন্তরায় : ডব্লিউইএফ

নেপাল, শ্রীলংকার মত বাংলাদেশেও সুশাসনের অভাব ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রধান অন্তরায় বলছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম। এধরনের অভাব বরং এ তিনটি দেশে ব্যবসা করার ক্ষেত্রে প্রধান ঝুঁকি বলেও অভিহিত করেছে ফোরাম। ফোরামের ‘রিজিওনাল রিস্কস ফর ডুয়িং বিজনেস’ নামে সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে ১০টি প্রধান ঝুঁকি তুলে ধরে বলা হয়েছে প্রধানত এ তিনটি দেশে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উদ্বেগের মাঝে সাইবার হামলাও আরেক ঝক্কি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফিনান্সিয়াল ট্রিবিউন

গত জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ফোরাম এক জরিপে এসব তথ্য পায়। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে ফোরাম দক্ষিণ এশিয়ার ৫টি দেশ যথা বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলংকায় ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রধান অন্তরায়গুলো সারসংক্ষেপে আনে। এক্ষেত্রে বেসরকারি খাতের ওপর আলোকপাত করা হয়। শাসনে ও সুশাসনে ব্যর্থতাই পয়লা নম্বরের ঝুঁকি হিসেবে ফোরাম বিবেচনা করার পর বলা হয়েছে নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও এর প্রভাবে ব্যবসায় এক ধরনের অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি হয় যা ঝুঁকি হিসেবে দাঁড়িয়ে যায়। পাকিস্তানে গত জুলাইতে নির্বাচনের পর গত বছর নভেম্বরে নেপালে নির্বাচন হয়। এবছরের শেষ নাগাদ বাংলাদেশ, ভুটান ও মালদ্বিপে নির্বাচন হতে যাচ্ছে। আগামী বছর ভারতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ফোরামের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে এসব দেশে রাজনৈতিক পদ্ধতিই এমন যা নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পর্কে দুশ্চিন্তার সৃষ্টি করে এবং তা সন্ত্রাস পর্যন্ত গড়ায়। একই সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মসূচি বা হরতাল-ধর্মঘটের মত বিষয়গুলো অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করে। বাংলাদেশে ধারাবাহিক জালানির দাম বৃদ্ধিকে সর্বোচ্চ পর্যায়ের ঝুঁকি হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয় এটি সুশাসনের এক প্রধান ঘাটতি। এছাড়া সাইবার হামলা, আঞ্চলিক ও বিশ^মানের সুশাসনের অভাব ছাড়াও বেকারত্ব এমনকি লোকবলের দক্ষতার চেয়ে নিম্নমানের কাজে তাদের নিয়োগের বিষয়গুলো প্রধান অন্তরায়। মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরাণার্থীর বিষয়টিকেও ফোরাম এক অস্বস্তিকর দিক হিসেবে চিহ্নিত করে।