Logo

ডেঙ্গু ঝুঁকিতে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১৩০ কোটি মানুষ

ডেঙ্গু ঝুঁকিতে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১৩০ কোটি মানুষ

বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রায় ১৩০ কোটি মানুষ ডেঙ্গু ঝুঁকিতে রয়েছে। এই অঞ্চলে ঘন ঘন ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দিচ্ছে। কখনও কখনও সেই প্রকোপ অনেক বড়। গত ৯ সেপ্টেম্বর ভারতের রাজধানী দিল্লিতে অনুষ্ঠিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক ৭১তম অধিবেশনে এসব কথা বলা হয়।

অনুষ্ঠানে বলা হয়, বাংলাদেশসহ এই অঞ্চলে ভারত, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, পূর্ব তিমুর ও উত্তর কোরিয়া রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার ঝুঁকিতে থাকা বৈশ্বিক জনগোষ্ঠীর ৫৮ শতাংশ মানুষ এই অঞ্চলে বসবাস করে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, বিশ্বের মোট জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ মানুষ এই অঞ্চলে বসবাস করে। দ্রুত নগরায়ণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এই অঞ্চলে এই দু’টি রোগ ছাড়াও কীটবাহিত অন্যান্য রোগের ঝুঁকিও বাড়ছে।

কেবল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যানেই নয়, চলতি বছর বাংলাদেশেও বেড়েছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টাতেই রাজধানী ঢাকায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৫৮জন বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশনস সেন্টার।

হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশনস সেন্টারের ইনচার্জ ডা. আয়েশা আক্তার বলেন, ‘চলতি মৌসুমে মোট ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা তিন হাজার ৯২৪ জন। গত জুন মাসে তিন জন, জুলাই মাসে ৪ জন এবং আগস্ট মাসে ৪ জন ডেঙ্গু জ্বর, ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোম এবং ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে রক্তক্ষরণে মারা গিয়েছেন। ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে এই মুহূর্তে রোগী ভর্তি আছেন ২৩২ জন।’

আয়েশা আক্তার সারবাংলাকে বলেন, ‘সাধারণত জুলাই-আগস্ট এবং সেপ্টেম্বর এ তিন মাস-ডেঙ্গুর ঝুঁকিতে থাকি আমরা। গত বছরে চিকুনগুনিয়ার প্রার্দুভাব বেশি ছিল কিন্তু চলতি বছরে ডেঙ্গুর প্রার্দুভাব খুব বেশি।’