Logo

অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন না হলে বিকল্প শক্তির উত্থান হতে পারে: বি চৌধুরী

অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন না হলে বিকল্প শক্তির উত্থান হতে পারে: বি চৌধুরী

আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক না হলে দেশে বিকল্প শক্তির উত্থান হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিকল্প ধারার সভাপতি ও সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী।
একটি জাতীয় দৈনিককে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বি. চৌধুরী বলেন, আগামীতে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন না হলে দেশের ভবিষ্যৎ অন্ধকার। গণতন্ত্র বহু যুগের জন্য নির্বাসিত হয়ে যাবে। আবার বিকল্প কোনো শক্তিরও উত্থান হতে পারে। জনগণের ব্যাপক উত্থান, এমনকি একপর্যায়ে গণ-অভ্যুত্থানও হতে পারে। এই অবস্থা থেকে রক্ষা পাওয়ার একমাত্র পথ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। 
তিনি বলেন, দাবি আদায় আমাদেরকে করতেই হবে। এটি না করা গেলে দেশের জন্য ভয়ংকর বিপদ সামনে। আমরা আল্লাহ এবং এ দেশের জনগণের ওপর নির্ভর করে মাঠে নামতে চাই।
তিনি আরও বলেন, আমার মনে হয়, বর্তমান সরকারের স্বেচ্ছাচারিতা সবাইকে এক জায়গায় নিয়ে আসতে সাহায্য করেছে। বিশেষ করে সরকারের বাইরে থাকা দলগুলো যখন দেখল যে সরকার তো কারো কোনো কথাই শুনছে না। যখন যা খুশি তা-ই করছে। বিরোধী দলগুলোকে দমনের পাশাপাশি সন্ত্রাস, দুর্নীতিসহ এমন কোনো অপকর্ম নেই যা করছে না। শেষ পর্যন্ত গণমাধ্যমের টুঁটি চেপে ধরার জন্য ডিজিটাল আইনও করেছে। এতে সমাজে এক ধরনের বার্তা ছড়িয়েছে যে সরকার চরম অগণতান্ত্রিক পন্থায় চলে যাচ্ছে। তাই সবার বোধোদয় হচ্ছে যে এভাবে চলতে দেওয়া যায় না।       
জোটবদ্ধ নির্বাচন হলে প্রতীক ব্যবহারের বিষয়ে তিনি বলেন, ধানের শীষে আমাদের আপত্তি নেই। কারণ নৌকা ও ধানের শীষের ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। ধানের শীষের জন্য আমারও যথেষ্ট ত্যাগ রয়েছে। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন। তিনি মওলানা ভাসানীর কাছ থেকে এটি চেয়ে নিয়েছিলেন। ভাসানীও এটি জিয়াউর রহমানকে দিয়ে দিয়েছিলেন। এভাবে বিএনপির ধানের শীষের জন্ম হলো।